এলপিজির দাম কমাতে খুচরা বাজারে নজরদারির ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর

সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে এখনো অনেক বেশিতে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির মধ্যে খুচরা বাজারে নজরদারি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘ভোক্তা পর্যায়ে বাজারে অনিয়ম ঠেকাতে আগামী দিন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হবে। গতকাল সচিবালয়ে এলপিজির মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা বলেন।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৩৫৬ টাকার চেয়ে বেশিতে বিক্রির খবর পেয়েছি। এমন প্রেক্ষাপটে খুচরা পর্যায়ে কেউ যেন পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনকে সক্রিয় করার কথা বলেন তিনি।’

দাম আবার আগের জায়গায় ফিরবে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আগের জায়গায় আসবে। একই সঙ্গে আর বাড়বে না বলেও তুলে ধরেন তিনি। তবে আমদানি পর্যায়ে দামের প্রশ্নে আমদানিকারদের ‘প্রাইস রিভিউ’ চাওয়ার কথা তুলে ধরে বৈঠক শেষে মুক্তাদির বলেন, ‘তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে যদি তাদের কথাটা সমর্থনযোগ্য হয়, বিবেচনাযোগ্য হয়, তাহলে সেটা তো বিবেচনা করতেই হবে। কেউ তো লোকসান করে ব্যবসা করবে না।’

এলপিজির জন্য লাইসেন্স রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির। সেখানে ১০টি প্রায় ৭০ শতাংশের মতো আমদানি করছে। বাকিগুলোকে আমদানিতে সক্রিয় করতে সরকার সহযোগিতা বা উদ্যোগ নেবে কিনা, এমন প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিষয় হলো, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে অনেক অপারেটর নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। অনেক আমদানিকারকও কার্যক্রম বন্ধ বা সীমিত করেছেন। এটি বাজারে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা একটি কারণ—পুরো কারণ নয়, একটি উপাদান মাত্র।

বিপিসির মজুদ সক্ষমতার সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। অন্য বেসরকারি খাতের আমদানিকারকরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এ মুহূর্তে যদি বিপিসি নিজেই আমদানি করতে চায় সেক্ষেত্রে তাদের স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি ব্যবহার করতে দেবেন। এটিকে সাধুবাদ জানাই।’ এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও